8 আল্লাহ্র গ্রহণযোগ্য হবার বিষয়ে কিতাব আরও বলে, “আল্লাহ্ যা বলেছেন তা তোমার সংগেই রয়েছে, অর্থাৎ তোমার মুখে ও তোমার দিলে রয়েছে।” যে ঈমানের কথা আমরা তবলিগ করছি তা হল আল্লাহ্র সেই কথা।
9 সেই কথা হল, যদি তুমি ঈসাকে প্রভু বলে মুখে স্বীকার কর এবং দিলে ঈমান আন যে, আল্লাহ্ তাঁকে মৃত্যু থেকে জীবিত করে তুলেছেন তবেই তুমি নাজাত পাবে;
10 কারণ দিলে ঈমান আনবার ফলে আল্লাহ্ মানুষকে ধার্মিক বলে গ্রহণ করেন আর মুখে স্বীকার করবার ফলে নাজাত দেন।
11 পাক-কিতাব বলে, “যে কেউ তাঁর উপর ঈমান আনে সে নিরাশ হবে না।”
12 ইহুদী ও অ-ইহুদীর মধ্যে কোন পার্থক্য নেই, কারণ সকলের একই প্রভু। যারা তাঁকে ডাকে তিনি তাদের উপর প্রচুর দোয়া ঢেলে দেন।
13 পাক-কিতাবে আছে, “উদ্ধার পাবার জন্য যে কেউ প্রভুকে ডাকে সে নাজাত পাবে।”
14 কিন্তু যাঁর উপর তারা ঈমান আনে নি তাঁকে কেমন করে ডাকবে? যাঁর বিষয় তারা শোনে নি তাঁর উপর কেমন করে ঈমান আনবে? তবলিগকারী না থাকলে তারা কেমন করেই বা শুনবে?